ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীর নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজিকে নিয়ে পলাশের উৎসবমুখর প্রতিক্রিয়া ১৭ ঘণ্টাতেও উদ্ধার হয়নি শিশুটি, চলছে সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ শুক্রবার থেকে বন্ধ হতে যাচ্ছে মেট্রোরেলের যাত্রী সেবা আগামী নির্বাচনকে ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় করে রাখতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের তফসিল চলতি সপ্তাহে : সিইসি জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানিতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট প্রতিটি বল খেলব আমার দেশের জন্য: সাকিব ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গৌরনদীতে চার ডাকাত গ্রেপ্তার ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে জাপানের কাছ থেকে যা শিখতে পারে বাংলাদেশ অযোধ্যায় রাম মন্দিরের কাজ সম্পন্ন হলেও মসজিদ নির্মাণ এগোয়নি কেন?

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারও সংঘর্ষ, আহত সহ-উপাচার্যসহ অন্তত ১০

Songbad somachar
  • আপডেট সময় : ১০:২১:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫ ৯৫ বার পড়া হয়েছে
সংবাদ সমাচারের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

​চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাস ও এর আশেপাশের এলাকায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের সংঘর্ষ আবারও ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল রাতে ব্যাপক সংঘর্ষের পর আজ দুপুরে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যসহ (প্রশাসন) কমপক্ষে ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

​রবিবার দুপুর ১২টা ৫ মিনিটের দিকে চবির ২ নম্বর গেট সংলগ্ন জোবরা গ্রামে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। দুই পক্ষ একে অপরের দিকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষের সময় আহত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিনসহ আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী। ঘটনাস্থলে থাকা অন্য শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়।

​সংঘর্ষের সূত্রপাত মূলত গতকাল রাতে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা থেকে। শিক্ষার্থীরা জানান, এক ছাত্রীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল মধ্যরাতে স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ শুরু হয়, যা ভোর ৪টা পর্যন্ত চলে। ওই ঘটনায় প্রায় ৭০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তখন সেনাবাহিনীকেও ঘটনাস্থলে আসতে হয়েছিল।

​বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন বলেছেন, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, এই সংঘর্ষে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা প্রক্টর ও পুলিশের তিনটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে।

​শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২ নম্বর গেটের কাছে একটি ভাড়া বাসায় থাকা এক ছাত্রী গতকাল রাত ১২টার দিকে দারোয়ানের সঙ্গে তর্কের জেরে মারধরের শিকার হন। খবর পেয়ে শিক্ষার্থীরা দারোয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এরপরই স্থানীয়রা জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শিক্ষার্থীরাই প্রথমে হামলা ও ভাঙচুর শুরু করেছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারও সংঘর্ষ, আহত সহ-উপাচার্যসহ অন্তত ১০

আপডেট সময় : ১০:২১:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

​চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাস ও এর আশেপাশের এলাকায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের সংঘর্ষ আবারও ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল রাতে ব্যাপক সংঘর্ষের পর আজ দুপুরে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যসহ (প্রশাসন) কমপক্ষে ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

​রবিবার দুপুর ১২টা ৫ মিনিটের দিকে চবির ২ নম্বর গেট সংলগ্ন জোবরা গ্রামে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। দুই পক্ষ একে অপরের দিকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষের সময় আহত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিনসহ আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী। ঘটনাস্থলে থাকা অন্য শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়।

​সংঘর্ষের সূত্রপাত মূলত গতকাল রাতে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা থেকে। শিক্ষার্থীরা জানান, এক ছাত্রীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল মধ্যরাতে স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ শুরু হয়, যা ভোর ৪টা পর্যন্ত চলে। ওই ঘটনায় প্রায় ৭০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তখন সেনাবাহিনীকেও ঘটনাস্থলে আসতে হয়েছিল।

​বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন বলেছেন, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, এই সংঘর্ষে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা প্রক্টর ও পুলিশের তিনটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে।

​শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২ নম্বর গেটের কাছে একটি ভাড়া বাসায় থাকা এক ছাত্রী গতকাল রাত ১২টার দিকে দারোয়ানের সঙ্গে তর্কের জেরে মারধরের শিকার হন। খবর পেয়ে শিক্ষার্থীরা দারোয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এরপরই স্থানীয়রা জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শিক্ষার্থীরাই প্রথমে হামলা ও ভাঙচুর শুরু করেছিল।