ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রায় দুই বছর ধরে চলমান গলাচিপায় রাস্তা কেটে স্লুইসগেট নির্মাণ কাজ যতটুকু অগ্রগতি হলো।

Songbad somachar
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫ ২১০ বার পড়া হয়েছে
সংবাদ সমাচারের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনায় ভাগাড়ে পরিণত হয় গলাচিপা উপজেলা শহরের প্রধান খালটি। ‘গলাচিপা খাল’ নামে পরিচিত এই খালের পুরোনো স্লুইস গেট অপসারণ করে নতুন একটি স্লুইস গেট এবং খালের দেড় কিলোমিটার এলাকা খনন করে খালের দুই পাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণের উদ্যোগ নেয় পানি উন্নয়ন বোর্ড। সে অনুযায়ী ৬ কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ‘ন্যাচারাল’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ২০২৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর কার্যাদেশ দেওয়া হয়। চুক্তি অনুযায়ী ২০২৫ সালের ৩০ জুন প্রকল্পটি শেষ হওয়ার কথা। তবে বাস্তবে কাজ সমাপ্ত হতে এখনো অনেক বাকি। খালটির দেড় কিলোমিটার খনন ও দুই পাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণে প্রায় সাড়ে ছয় কোটি টাকার প্রকল্প নেয় পাউবো। ‘ন্যাচারাল’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ২০২৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর প্রকল্পের কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। তবে কাজটি করছেন আল-আমিন নামের এক উপ-ঠিকাদার।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

প্রায় দুই বছর ধরে চলমান গলাচিপায় রাস্তা কেটে স্লুইসগেট নির্মাণ কাজ যতটুকু অগ্রগতি হলো।

আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনায় ভাগাড়ে পরিণত হয় গলাচিপা উপজেলা শহরের প্রধান খালটি। ‘গলাচিপা খাল’ নামে পরিচিত এই খালের পুরোনো স্লুইস গেট অপসারণ করে নতুন একটি স্লুইস গেট এবং খালের দেড় কিলোমিটার এলাকা খনন করে খালের দুই পাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণের উদ্যোগ নেয় পানি উন্নয়ন বোর্ড। সে অনুযায়ী ৬ কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ‘ন্যাচারাল’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ২০২৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর কার্যাদেশ দেওয়া হয়। চুক্তি অনুযায়ী ২০২৫ সালের ৩০ জুন প্রকল্পটি শেষ হওয়ার কথা। তবে বাস্তবে কাজ সমাপ্ত হতে এখনো অনেক বাকি। খালটির দেড় কিলোমিটার খনন ও দুই পাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণে প্রায় সাড়ে ছয় কোটি টাকার প্রকল্প নেয় পাউবো। ‘ন্যাচারাল’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ২০২৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর প্রকল্পের কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। তবে কাজটি করছেন আল-আমিন নামের এক উপ-ঠিকাদার।