ঢাকা ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গুলশানের হোটেল ওয়েস্টিন থেকে মার্কিন নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার প্রধান উপদেষ্টাকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য এনসিপি নেত্রীর নুরকে রাষ্ট্রপতির ফোন,বিদেশে চিকিৎসার আশ্বাস চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারও সংঘর্ষ, আহত সহ-উপাচার্যসহ অন্তত ১০ আ.লীগের সময়েও নুরের ওপর এমন হামলা হয়নি, এর দায় সরকারকে নিতে হবে : উপদেষ্টা আসিফ ১৬ বছর ধরে যে একটা রুমে বসে চলছে তারেক রহমানের রাজনীতি বিএনপির সাবেক এমপির ওপর হামলার সাত আসামীর জামিন নামঞ্জুর দুইটা ভুল করেছি,একটা স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে : ফাতিমা তাসনীম নেত্রকোনায় জমি নিয়ে বিরোধে এক রাতে ২ জনের মৃত্যু, আহত ৩ আইএসপিআরের বিবৃতি প্রত্যাখ্যান গণঅধিকার পরিষদের

রাজশাহী মেডিকেলে ১৭ কোটি টাকার প্রাণরক্ষাকারী ওষুধ।

নিজস্ব প্রতিবেদন।
  • আপডেট সময় : ০৮:১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫ ১৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য বিদেশি একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ১৭ কোটি টাকার ওষুধ দিয়েছে। এই সহায়তা এসেছে কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসক শীর্ষ শ্রেয়ানের উদ্যোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে।

নেদারল্যান্ডস থেকে গত ২০ আগস্ট ঢাকায় পৌঁছানো এসব ওষুধ সোমবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ বুঝে নেয়। এর মধ্যে রয়েছে অ্যাল্টেপ্লেস নামের যুগান্তকারী থ্রম্বোলাইটিক ওষুধ, যা স্ট্রোক ও মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশনের মতো প্রাণঘাতী অবস্থার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।

শীর্ষ শ্রেয়ান, রাজশাহী মেডিকেলের ৬১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী, বিশ্বখ্যাত সংস্থা ওয়ার্ল্ড স্ট্রোক অর্গানাইজেশন, ডিরেক্ট রিলিফ এবং এঞ্জেল ইনিসিয়েটিভের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে এই ওষুধ সংগ্রহ করেন। এ কাজে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক আজিজুল হকও তাকে সহযোগিতা করেছেন।

শীর্ষ শ্রেয়ান Firstআলোকে বলেন, তিনি “ফিউচার স্ট্রোক লিডারস কোহর্ট-২”–এর গবেষণা প্রকল্পের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে পরিচিত হন। গবেষণাপত্রটি আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয় এবং ‘বেস্ট পেপার’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এর সূত্রেই ডিরেক্ট রিলিফের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং রাজশাহী মেডিকেলে ওষুধের প্রয়োজন জানায়।

আজিজুল হক বলেন, ওষুধের মেয়াদ এক বছর অবশিষ্ট থাকায় তা গরিব দেশগুলোর রোগীদের বিনামূল্যে ব্যবহার করার জন্য দাতা সংস্থাকে দেওয়া হয়। বাংলাদেশে রোগীরা সাধারণত আক্রান্ত হওয়ার এক-দুই দিন পরে হাসপাতালে আসে, তাই তারা হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য ওষুধ ব্যবহার করতে অনুমোদন দেয়। প্রাপ্ত ওষুধ দিয়ে প্রায় ৫০০ রুগীর চিকিৎসা সম্ভব হবে।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহাম্মদ বলেন, “১৭ কোটি টাকার ওষুধ এত বিপুল পরিমাণে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই প্রথম এসেছে। বিভিন্ন সময়ে সহযোগিতা আসে, তবে এত বড় সহায়তা আগে কখনও পাওয়া যায়নি।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাজশাহী মেডিকেলে ১৭ কোটি টাকার প্রাণরক্ষাকারী ওষুধ।

আপডেট সময় : ০৮:১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য বিদেশি একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ১৭ কোটি টাকার ওষুধ দিয়েছে। এই সহায়তা এসেছে কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসক শীর্ষ শ্রেয়ানের উদ্যোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে।

নেদারল্যান্ডস থেকে গত ২০ আগস্ট ঢাকায় পৌঁছানো এসব ওষুধ সোমবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ বুঝে নেয়। এর মধ্যে রয়েছে অ্যাল্টেপ্লেস নামের যুগান্তকারী থ্রম্বোলাইটিক ওষুধ, যা স্ট্রোক ও মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশনের মতো প্রাণঘাতী অবস্থার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।

শীর্ষ শ্রেয়ান, রাজশাহী মেডিকেলের ৬১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী, বিশ্বখ্যাত সংস্থা ওয়ার্ল্ড স্ট্রোক অর্গানাইজেশন, ডিরেক্ট রিলিফ এবং এঞ্জেল ইনিসিয়েটিভের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে এই ওষুধ সংগ্রহ করেন। এ কাজে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক আজিজুল হকও তাকে সহযোগিতা করেছেন।

শীর্ষ শ্রেয়ান Firstআলোকে বলেন, তিনি “ফিউচার স্ট্রোক লিডারস কোহর্ট-২”–এর গবেষণা প্রকল্পের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে পরিচিত হন। গবেষণাপত্রটি আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয় এবং ‘বেস্ট পেপার’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এর সূত্রেই ডিরেক্ট রিলিফের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং রাজশাহী মেডিকেলে ওষুধের প্রয়োজন জানায়।

আজিজুল হক বলেন, ওষুধের মেয়াদ এক বছর অবশিষ্ট থাকায় তা গরিব দেশগুলোর রোগীদের বিনামূল্যে ব্যবহার করার জন্য দাতা সংস্থাকে দেওয়া হয়। বাংলাদেশে রোগীরা সাধারণত আক্রান্ত হওয়ার এক-দুই দিন পরে হাসপাতালে আসে, তাই তারা হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য ওষুধ ব্যবহার করতে অনুমোদন দেয়। প্রাপ্ত ওষুধ দিয়ে প্রায় ৫০০ রুগীর চিকিৎসা সম্ভব হবে।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহাম্মদ বলেন, “১৭ কোটি টাকার ওষুধ এত বিপুল পরিমাণে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই প্রথম এসেছে। বিভিন্ন সময়ে সহযোগিতা আসে, তবে এত বড় সহায়তা আগে কখনও পাওয়া যায়নি।”