ঢাকা ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচনকালে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: প্রধান উপদেষ্টা জামায়াতের জোটে ইসলামী আন্দোলন থাকছে কি না ঘোষণা আজ, দুপুরে মজলিসে শূরার বৈঠক মাদুরো ও তার স্ত্রীকে মুক্তির দাবিতে কারাকাসের রাস্তায় হাজারো মানুষ মেসির হাতের সেই বিশ্বকাপ ট্রফি এখন ঢাকায় প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল শুনানির চতুর্থ দিন আজ ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করলে দিতে হবে ২৫ শতাংশ শুল্ক, ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র পরীক্ষা নিতে চাইলে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান গোল্ডেন গ্লোব: রাতে বেভারলি হিলসে বসছে তারার মেলা সালাহ ম্যাজিকে আইভরি কোস্টকে বিদায় করে সেমিতে মিশর বারিশাল গৌরনদীতে ভ্যান চালককে কুপিয়ে হত্যা

রাজশাহী মেডিকেলে ১৭ কোটি টাকার প্রাণরক্ষাকারী ওষুধ।

Songbad somachar
  • আপডেট সময় : ০৮:১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে
সংবাদ সমাচারের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য বিদেশি একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ১৭ কোটি টাকার ওষুধ দিয়েছে। এই সহায়তা এসেছে কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসক শীর্ষ শ্রেয়ানের উদ্যোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে।

নেদারল্যান্ডস থেকে গত ২০ আগস্ট ঢাকায় পৌঁছানো এসব ওষুধ সোমবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ বুঝে নেয়। এর মধ্যে রয়েছে অ্যাল্টেপ্লেস নামের যুগান্তকারী থ্রম্বোলাইটিক ওষুধ, যা স্ট্রোক ও মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশনের মতো প্রাণঘাতী অবস্থার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।

শীর্ষ শ্রেয়ান, রাজশাহী মেডিকেলের ৬১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী, বিশ্বখ্যাত সংস্থা ওয়ার্ল্ড স্ট্রোক অর্গানাইজেশন, ডিরেক্ট রিলিফ এবং এঞ্জেল ইনিসিয়েটিভের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে এই ওষুধ সংগ্রহ করেন। এ কাজে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক আজিজুল হকও তাকে সহযোগিতা করেছেন।

শীর্ষ শ্রেয়ান Firstআলোকে বলেন, তিনি “ফিউচার স্ট্রোক লিডারস কোহর্ট-২”–এর গবেষণা প্রকল্পের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে পরিচিত হন। গবেষণাপত্রটি আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয় এবং ‘বেস্ট পেপার’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এর সূত্রেই ডিরেক্ট রিলিফের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং রাজশাহী মেডিকেলে ওষুধের প্রয়োজন জানায়।

আজিজুল হক বলেন, ওষুধের মেয়াদ এক বছর অবশিষ্ট থাকায় তা গরিব দেশগুলোর রোগীদের বিনামূল্যে ব্যবহার করার জন্য দাতা সংস্থাকে দেওয়া হয়। বাংলাদেশে রোগীরা সাধারণত আক্রান্ত হওয়ার এক-দুই দিন পরে হাসপাতালে আসে, তাই তারা হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য ওষুধ ব্যবহার করতে অনুমোদন দেয়। প্রাপ্ত ওষুধ দিয়ে প্রায় ৫০০ রুগীর চিকিৎসা সম্ভব হবে।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহাম্মদ বলেন, “১৭ কোটি টাকার ওষুধ এত বিপুল পরিমাণে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই প্রথম এসেছে। বিভিন্ন সময়ে সহযোগিতা আসে, তবে এত বড় সহায়তা আগে কখনও পাওয়া যায়নি।”

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রাজশাহী মেডিকেলে ১৭ কোটি টাকার প্রাণরক্ষাকারী ওষুধ।

আপডেট সময় : ০৮:১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য বিদেশি একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ১৭ কোটি টাকার ওষুধ দিয়েছে। এই সহায়তা এসেছে কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসক শীর্ষ শ্রেয়ানের উদ্যোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে।

নেদারল্যান্ডস থেকে গত ২০ আগস্ট ঢাকায় পৌঁছানো এসব ওষুধ সোমবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ বুঝে নেয়। এর মধ্যে রয়েছে অ্যাল্টেপ্লেস নামের যুগান্তকারী থ্রম্বোলাইটিক ওষুধ, যা স্ট্রোক ও মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশনের মতো প্রাণঘাতী অবস্থার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।

শীর্ষ শ্রেয়ান, রাজশাহী মেডিকেলের ৬১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী, বিশ্বখ্যাত সংস্থা ওয়ার্ল্ড স্ট্রোক অর্গানাইজেশন, ডিরেক্ট রিলিফ এবং এঞ্জেল ইনিসিয়েটিভের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে এই ওষুধ সংগ্রহ করেন। এ কাজে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক আজিজুল হকও তাকে সহযোগিতা করেছেন।

শীর্ষ শ্রেয়ান Firstআলোকে বলেন, তিনি “ফিউচার স্ট্রোক লিডারস কোহর্ট-২”–এর গবেষণা প্রকল্পের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে পরিচিত হন। গবেষণাপত্রটি আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয় এবং ‘বেস্ট পেপার’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এর সূত্রেই ডিরেক্ট রিলিফের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং রাজশাহী মেডিকেলে ওষুধের প্রয়োজন জানায়।

আজিজুল হক বলেন, ওষুধের মেয়াদ এক বছর অবশিষ্ট থাকায় তা গরিব দেশগুলোর রোগীদের বিনামূল্যে ব্যবহার করার জন্য দাতা সংস্থাকে দেওয়া হয়। বাংলাদেশে রোগীরা সাধারণত আক্রান্ত হওয়ার এক-দুই দিন পরে হাসপাতালে আসে, তাই তারা হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য ওষুধ ব্যবহার করতে অনুমোদন দেয়। প্রাপ্ত ওষুধ দিয়ে প্রায় ৫০০ রুগীর চিকিৎসা সম্ভব হবে।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহাম্মদ বলেন, “১৭ কোটি টাকার ওষুধ এত বিপুল পরিমাণে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই প্রথম এসেছে। বিভিন্ন সময়ে সহযোগিতা আসে, তবে এত বড় সহায়তা আগে কখনও পাওয়া যায়নি।”