ঢাকা ১১:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচনকালে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: প্রধান উপদেষ্টা জামায়াতের জোটে ইসলামী আন্দোলন থাকছে কি না ঘোষণা আজ, দুপুরে মজলিসে শূরার বৈঠক মাদুরো ও তার স্ত্রীকে মুক্তির দাবিতে কারাকাসের রাস্তায় হাজারো মানুষ মেসির হাতের সেই বিশ্বকাপ ট্রফি এখন ঢাকায় প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল শুনানির চতুর্থ দিন আজ ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করলে দিতে হবে ২৫ শতাংশ শুল্ক, ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র পরীক্ষা নিতে চাইলে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান গোল্ডেন গ্লোব: রাতে বেভারলি হিলসে বসছে তারার মেলা সালাহ ম্যাজিকে আইভরি কোস্টকে বিদায় করে সেমিতে মিশর বারিশাল গৌরনদীতে ভ্যান চালককে কুপিয়ে হত্যা

চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদায় আলোচিত মন্টু হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

Songbad somachar
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৬:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৯৪ বার পড়া হয়েছে
সংবাদ সমাচারের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চুয়াডাঙ্গার জেলার দামুড়হুদা  জয়রামপুর আলোচিত মন্টু মিয়া হত্যা মামলায় চার জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড ও দেওয়া হয়েছে।

 সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. মোক্তাগীর আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় তিন আসামি আদালতে উপস্থিত থাকলেও একজন পলাতক ছিলেন।

আজ মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মারুফ সারোয়ার বাবু।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি হলেন—দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের বারুইপাড়ার মৃত তোয়াক্কেল মণ্ডলের ছেলে মোঃ রবিউল ইসলাম (৪৭), একই এলাকার মৃত রবিউল ইসলামের ছেলে আসান ওরফে তোতা মিয়া (৪৬) (পলাতক), ডাক্তারপাড়ার লাল চাঁদ মণ্ডলের ছেলে বাবু (৪৬), এবং মল্লিকপাড়ার আব্দুস ছাত্তারের ছেলে মোঃ জাহিদ হোসেন (৩৯)।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৬ ই মে রাতে জয়রামপুর গ্রামে নিজ ঘরের বারান্দায় ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় সশস্ত্র হামলার শিকার হন দিনমজুর মন্টু মিয়া (৩০)। 

দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরদিন নিহতের মা হাজেরা বেগম অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আজিজুর রহমান ঐই বছরের ৩০ নভেম্বর পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। 

মামলার অন্যতম আসামি আলমগীর হোসেন বিচার চলাকালীন সময়ের মধৌ মৃত্যুবরণ করায় তার নাম মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

আসামিপক্ষ এবং রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থিতিতে ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত চার জনের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করেন। রায়ের পর আদালত মামলার নথি নিষ্পত্তি করেন এবং পলাতক আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদায় আলোচিত মন্টু হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চুয়াডাঙ্গার জেলার দামুড়হুদা  জয়রামপুর আলোচিত মন্টু মিয়া হত্যা মামলায় চার জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড ও দেওয়া হয়েছে।

 সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. মোক্তাগীর আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় তিন আসামি আদালতে উপস্থিত থাকলেও একজন পলাতক ছিলেন।

আজ মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মারুফ সারোয়ার বাবু।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি হলেন—দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের বারুইপাড়ার মৃত তোয়াক্কেল মণ্ডলের ছেলে মোঃ রবিউল ইসলাম (৪৭), একই এলাকার মৃত রবিউল ইসলামের ছেলে আসান ওরফে তোতা মিয়া (৪৬) (পলাতক), ডাক্তারপাড়ার লাল চাঁদ মণ্ডলের ছেলে বাবু (৪৬), এবং মল্লিকপাড়ার আব্দুস ছাত্তারের ছেলে মোঃ জাহিদ হোসেন (৩৯)।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৬ ই মে রাতে জয়রামপুর গ্রামে নিজ ঘরের বারান্দায় ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় সশস্ত্র হামলার শিকার হন দিনমজুর মন্টু মিয়া (৩০)। 

দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরদিন নিহতের মা হাজেরা বেগম অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আজিজুর রহমান ঐই বছরের ৩০ নভেম্বর পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। 

মামলার অন্যতম আসামি আলমগীর হোসেন বিচার চলাকালীন সময়ের মধৌ মৃত্যুবরণ করায় তার নাম মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

আসামিপক্ষ এবং রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থিতিতে ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত চার জনের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করেন। রায়ের পর আদালত মামলার নথি নিষ্পত্তি করেন এবং পলাতক আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন।