ঢাকা ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানিতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট

news desk
  • আপডেট সময় : ০৫:০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ৭২ বার পড়া হয়েছে
সংবাদ সমাচারের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুর নাগরিকত্ব পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার আছে কি-না তা নিয়ে শুনানি করতে সম্মত হয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই অবৈধভাবে বসবাস করা পিতামাতার সন্তানদের জন্য জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সুবিধা বন্ধ করে আদেশ জারি করেছিলেন। কিন্তু পরে সেটি কয়েকটি নিম্ন আদালতে আটকে যায়।

সুপ্রিম কোর্টের শুনানির এখনো কোনো তারিখ ঠিক হয়নি। রায় পেতেও কয়েক মাস সময় লাগবে।

তবে আদালত যে সিদ্ধান্তই গ্রহণ করুক না কেন, ট্রাম্পের অভিবাসন অভিযান ও আমেরিকান সিটিজেন বলতে কি বোঝায়, তার ওপর এর প্রভাব পড়বে।

প্রায় একশ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী এই নীতিই প্রতিষ্ঠা করেছে যে দেশটিতে কেউ জন্ম নিলে সে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হবে। তবে কূটনীতিক ও বিদেশি সামরিক বাহিনীর বিষয়ে এটি প্রযোজ্য নয়।

ওই সংশোধনীতে বলা হয়েছে: “যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী বা নাগরিকত্ব পাওয়া সব ব্যক্তি এবং এর এখতিয়ারের আওতায় থাকা ব্যক্তিরা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক”।

ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের উদ্দেশ্য হলো—যেসব ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে অবস্থান করছে কিংবা অস্থায়ী ভিসায় দেশে রয়েছে তাদের সন্তানদের জন্মগত নাগরিকত্ব সুবিধা না দেওয়া।

সুত্রঃবিবিসি বাংলা

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানিতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট

আপডেট সময় : ০৫:০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুর নাগরিকত্ব পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার আছে কি-না তা নিয়ে শুনানি করতে সম্মত হয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই অবৈধভাবে বসবাস করা পিতামাতার সন্তানদের জন্য জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সুবিধা বন্ধ করে আদেশ জারি করেছিলেন। কিন্তু পরে সেটি কয়েকটি নিম্ন আদালতে আটকে যায়।

সুপ্রিম কোর্টের শুনানির এখনো কোনো তারিখ ঠিক হয়নি। রায় পেতেও কয়েক মাস সময় লাগবে।

তবে আদালত যে সিদ্ধান্তই গ্রহণ করুক না কেন, ট্রাম্পের অভিবাসন অভিযান ও আমেরিকান সিটিজেন বলতে কি বোঝায়, তার ওপর এর প্রভাব পড়বে।

প্রায় একশ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী এই নীতিই প্রতিষ্ঠা করেছে যে দেশটিতে কেউ জন্ম নিলে সে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হবে। তবে কূটনীতিক ও বিদেশি সামরিক বাহিনীর বিষয়ে এটি প্রযোজ্য নয়।

ওই সংশোধনীতে বলা হয়েছে: “যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী বা নাগরিকত্ব পাওয়া সব ব্যক্তি এবং এর এখতিয়ারের আওতায় থাকা ব্যক্তিরা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক”।

ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের উদ্দেশ্য হলো—যেসব ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে অবস্থান করছে কিংবা অস্থায়ী ভিসায় দেশে রয়েছে তাদের সন্তানদের জন্মগত নাগরিকত্ব সুবিধা না দেওয়া।

সুত্রঃবিবিসি বাংলা