ঢাকা ১১:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দীর্ঘ ৫৪ বছর পর চাঁদে যাচ্ছে নাসার ‘আর্টেমিস-টু’

news desk
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
সংবাদ সমাচারের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অর্ধশতকের বেশি সময় পর আবারও চাঁদের উদ্দেশ্যে পৃথিবী ছাড়তে যাচ্ছে মানুষ। ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে আর্টেমিস-টু মিশনে ৪ মহাকাশচারী যাচ্ছেন চন্দ্রাভিযানে। 

১৯৭২ সালের পর, ৫৪ বছরের দীর্ঘ বিরতি শেষে ফের চাদের উদ্দেশ্যে মানবযাত্রা। নাসার মাল্টি- বিলিয়ন ডলার প্রজেক্ট, আর্টেমিস মুন মিশনের আওতায় এই অভিযান। এর আগে ২০২২ সালে আর্টেমিস ওয়ান মিশনে কোনো মানুষ ছাড়াই চাদে পাঠানো হয়েছিলো রকেট। তবে এই যাত্রায় চাঁদের কক্ষপথ তো বটেই, মানব ইতিহাসের আগের সব রেকর্ড ভেঙে মহাকাশের সবচেয়ে দূরতম সীমানায় পৌঁছাবে নাসার সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট ‘স্পেস লঞ্চ সিস্টেম’।

আর্টেমিস মিশন- টু’র ম্যানেজমেন্ট টিম চেয়ারম্যান জন হানিকাট বলেন, মহাকাশচারীদের নিয়ে এই চন্দ্রভ্রমণ অভিযানটি হবে চাঁদে স্থায়ীভাবে মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিতে আমাদের প্রথম পদক্ষেপ। ১০ দিনের এই যাত্রায় রকেটের লাইফ সাপোর্ট ও ন্যাভিগেশন সিস্টেমগুলো মহাকাশের চরম প্রতিকূল পরিবেশে কতটা কার্যকর, তা যাচাই করা হবে। যা ভবিষ্যতে চাঁদের বুকে অবতরণের পথ আরও সহজ করে দিবে। 

মিশন কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান দেবেন এই মিশনের নেতৃত্ব। এর পাশাপাশি আর্টেমিস-টু মিশনে থাকবেন রকেট পাইলট ভিক্টর গ্লোভার এবং দুই বিশেষজ্ঞ ক্রিস্টিনা কোচ ও কানাডিয়ান অ্যাস্ট্রোনট জেরেমি হ্যানসেন। তবে চাঁদে অবতরণ না করে উপগ্রহের চারপাশ প্রদক্ষিণ, প্রয়োজনীয় গবেষণা ও আর্টেমিস মিশন-থ্রি এর সম্ভাব্য কিছু প্রস্তুতি নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসবে দলটি।

মঙ্গলবার মিশনের পূর্ব প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আয়োজিত হয় ‘ওয়েট ড্রেস রিহার্সাল’। যেখানে পরীক্ষামূলকভাবে রকেটটি উৎক্ষেপণের সময় তরল হাইড্রোজেন লিকেজ ধরা পড়লে মিশন পেছানোর সিদ্ধান্ত নেয় নাসা। কক্ষপথের জটিল হিসাব-নিকাশ মিলিয়ে আগামী মার্চ মাসে নির্ধারিত হয়েছে আর্টেমিস মিশন-টু এর সম্ভাব্য যাত্রা। 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

দীর্ঘ ৫৪ বছর পর চাঁদে যাচ্ছে নাসার ‘আর্টেমিস-টু’

আপডেট সময় : ০৪:২৯:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অর্ধশতকের বেশি সময় পর আবারও চাঁদের উদ্দেশ্যে পৃথিবী ছাড়তে যাচ্ছে মানুষ। ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে আর্টেমিস-টু মিশনে ৪ মহাকাশচারী যাচ্ছেন চন্দ্রাভিযানে। 

১৯৭২ সালের পর, ৫৪ বছরের দীর্ঘ বিরতি শেষে ফের চাদের উদ্দেশ্যে মানবযাত্রা। নাসার মাল্টি- বিলিয়ন ডলার প্রজেক্ট, আর্টেমিস মুন মিশনের আওতায় এই অভিযান। এর আগে ২০২২ সালে আর্টেমিস ওয়ান মিশনে কোনো মানুষ ছাড়াই চাদে পাঠানো হয়েছিলো রকেট। তবে এই যাত্রায় চাঁদের কক্ষপথ তো বটেই, মানব ইতিহাসের আগের সব রেকর্ড ভেঙে মহাকাশের সবচেয়ে দূরতম সীমানায় পৌঁছাবে নাসার সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট ‘স্পেস লঞ্চ সিস্টেম’।

আর্টেমিস মিশন- টু’র ম্যানেজমেন্ট টিম চেয়ারম্যান জন হানিকাট বলেন, মহাকাশচারীদের নিয়ে এই চন্দ্রভ্রমণ অভিযানটি হবে চাঁদে স্থায়ীভাবে মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিতে আমাদের প্রথম পদক্ষেপ। ১০ দিনের এই যাত্রায় রকেটের লাইফ সাপোর্ট ও ন্যাভিগেশন সিস্টেমগুলো মহাকাশের চরম প্রতিকূল পরিবেশে কতটা কার্যকর, তা যাচাই করা হবে। যা ভবিষ্যতে চাঁদের বুকে অবতরণের পথ আরও সহজ করে দিবে। 

মিশন কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান দেবেন এই মিশনের নেতৃত্ব। এর পাশাপাশি আর্টেমিস-টু মিশনে থাকবেন রকেট পাইলট ভিক্টর গ্লোভার এবং দুই বিশেষজ্ঞ ক্রিস্টিনা কোচ ও কানাডিয়ান অ্যাস্ট্রোনট জেরেমি হ্যানসেন। তবে চাঁদে অবতরণ না করে উপগ্রহের চারপাশ প্রদক্ষিণ, প্রয়োজনীয় গবেষণা ও আর্টেমিস মিশন-থ্রি এর সম্ভাব্য কিছু প্রস্তুতি নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসবে দলটি।

মঙ্গলবার মিশনের পূর্ব প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আয়োজিত হয় ‘ওয়েট ড্রেস রিহার্সাল’। যেখানে পরীক্ষামূলকভাবে রকেটটি উৎক্ষেপণের সময় তরল হাইড্রোজেন লিকেজ ধরা পড়লে মিশন পেছানোর সিদ্ধান্ত নেয় নাসা। কক্ষপথের জটিল হিসাব-নিকাশ মিলিয়ে আগামী মার্চ মাসে নির্ধারিত হয়েছে আর্টেমিস মিশন-টু এর সম্ভাব্য যাত্রা।