ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন: বৃষ্টির দেখা নেই, হাঁসফাঁস অবস্থা

Songbad somachar
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৩:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৩৩ বার পড়া হয়েছে
সংবাদ সমাচারের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

​‘ভাদ্র মাসের তালপাকা গরম’—প্রবাদটি যেন বাস্তবে রূপ নিয়েছে দেশজুড়ে। গত কয়েকদিন ধরে রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অসহনীয় ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। সূর্যের তীব্র তাপ আর বাতাসে আর্দ্রতার কারণে জীবনযাত্রা হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ।

​ঢাকায়ও গত এক সপ্তাহ ধরে একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। সকাল থেকেই চড়া রোদ আর ভ্যাপসা গরমে জনজীবন হাঁসফাঁস করছে। বৃষ্টির কোনো লক্ষণ নেই, যার ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও অস্বস্তি কমছে না। বিশেষ করে দিনের বেলায় বাইরে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘর থেকে বের হতে চাইছেন না। যারা বের হচ্ছেন, তাদের অবস্থা আরও করুণ। রিকশাচালক, শ্রমিক, এবং পথচারীরা তীব্র গরমে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

​রংপুর শহরেও একই পরিস্থিতি। কাঠফাটা রোদ আর ভ্যাপসা গরমে মানুষ রীতিমতো অতিষ্ঠ। দিনের বেলায় শহরের রাস্তাঘাট অনেকটা ফাঁকা দেখা যাচ্ছে। এরপরও জীবন ও জীবিকার তাগিদে মানুষকে বাইরে বের হতে হচ্ছে। খেটে খাওয়া মানুষ, যেমন রিকশাচালক ও দিনমজুররা এই গরমে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে অনেকেই ঘন ঘন ঠান্ডা পানীয় পান করছেন। শরবত, ডাবের পানি, বা আইসক্রিমের দোকানগুলোতে ভিড় বেড়েছে।

​বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সময়ে এমন ভ্যাপসা গরম স্বাভাবিক হলেও, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এর তীব্রতা বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই সবাইকে সচেতন থাকতে এবং প্রচুর পরিমাণে পানি পান করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন: বৃষ্টির দেখা নেই, হাঁসফাঁস অবস্থা

আপডেট সময় : ০৬:৩৩:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

​‘ভাদ্র মাসের তালপাকা গরম’—প্রবাদটি যেন বাস্তবে রূপ নিয়েছে দেশজুড়ে। গত কয়েকদিন ধরে রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অসহনীয় ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। সূর্যের তীব্র তাপ আর বাতাসে আর্দ্রতার কারণে জীবনযাত্রা হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ।

​ঢাকায়ও গত এক সপ্তাহ ধরে একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। সকাল থেকেই চড়া রোদ আর ভ্যাপসা গরমে জনজীবন হাঁসফাঁস করছে। বৃষ্টির কোনো লক্ষণ নেই, যার ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও অস্বস্তি কমছে না। বিশেষ করে দিনের বেলায় বাইরে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘর থেকে বের হতে চাইছেন না। যারা বের হচ্ছেন, তাদের অবস্থা আরও করুণ। রিকশাচালক, শ্রমিক, এবং পথচারীরা তীব্র গরমে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

​রংপুর শহরেও একই পরিস্থিতি। কাঠফাটা রোদ আর ভ্যাপসা গরমে মানুষ রীতিমতো অতিষ্ঠ। দিনের বেলায় শহরের রাস্তাঘাট অনেকটা ফাঁকা দেখা যাচ্ছে। এরপরও জীবন ও জীবিকার তাগিদে মানুষকে বাইরে বের হতে হচ্ছে। খেটে খাওয়া মানুষ, যেমন রিকশাচালক ও দিনমজুররা এই গরমে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে অনেকেই ঘন ঘন ঠান্ডা পানীয় পান করছেন। শরবত, ডাবের পানি, বা আইসক্রিমের দোকানগুলোতে ভিড় বেড়েছে।

​বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সময়ে এমন ভ্যাপসা গরম স্বাভাবিক হলেও, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এর তীব্রতা বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই সবাইকে সচেতন থাকতে এবং প্রচুর পরিমাণে পানি পান করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।