সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে জোর
- আপডেট সময় : ০৩:১৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো.নাহিদ ইসলামের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। এতে দুজনই দেশের যে কোনো সমস্যার সমাধান সংলাপের মধ্য দিয়ে করাতেই জোর দিয়েছেন। সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন গণমাধ্যমকে একথা জানিয়েছেন।
গতকাল রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টা ২৫ মিনিটে রাজধানীর বেইলি রোডে নাহিদ ইসলামের বাসায় পৌঁছান তারেক রহমান। পরে বৈঠক শেষে রাত ৯টা ১০ মিনিটের দিকে বাসা থেকে বের হন তিনি।
এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, তারেক রহমান ও নাহিদ ইসলাম আজকে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। নিজেদের মধ্যে মতপার্থক্য সত্ত্বেও আমরা কীভাবে একত্রে দেশের জন্য কাজ করতে পারি, সে বিষয়ে আমরা কথা বলেছি। কীভাবে সংস্কার ও বিচারের কাজ এগিয়ে নেওয়া যায়, তা নিয়েও আমরা কথা বলেছি। নির্বাচন–পরবর্তী এই সৌজন্য সাক্ষাৎ দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বিবেচিত হবে বলেও মত আখতারের।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকেও যে নেতারা এসেছিলেন, তারাও সংলাপের মধ্য দিয়েই সমস্যার সমাধানে জোরা আরোপ করেছেন। আজকের বৈঠক ও সৌজন্য সাক্ষাতের মাধ্যমে আমরা আশাবাদী যে, সংলাপের মধ্য দিয়েই আমরা বাংলাদেশের যে কোনো সংকটের সমাধানের দিকে অগ্রসর হতে পারবো।
আখতার বলেন, নির্বাচনে কয়েকটি আসনের ফলাফল নিয়ে এনসিপির প্রশ্ন থাকলেও তারেক রহমান যে রাজনৈতিক সৌজন্যবোধের জায়গা থেকে নাহিদ ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন, এই রাজনৈতিক সৌজন্যতা ও তার জয়ী হয়ে আসাকে আমরা অভিনন্দন জানাই।
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান ও নাহিদ ইসলাম অর্থাৎ বিএনপি ও এনসিপির এই নির্বাচন পরবর্তী সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটা পরিবর্তনের আভাস দেয়। রাজনৈতিক কর্মসূচি আলাদা হবে, বক্তব্য আলাদা হবে, কিন্তু দেশের প্রশ্নে সব রাজনৈতিক দল আমরা একত্রিত থেকে একসাথে সিদ্ধান্ত নেবো। এ ধরনের একটা পরিবেশ বাংলাদেশে থাকবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
কৃষি, শিক্ষা, শিল্প, বাণিজ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে কীভাবে পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে ‘পলিসি ডায়ালগের’ (নীতি–সংলাপ) মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া যায়, সেসব বিষয়েও তারেক রহমানের সঙ্গে কথা হয়েছে বলে জানান এনসিপির সদস্য সচিব। তিনি বলেন, নির্বাচন–পরবর্তী যেসব সহিংসতা বিভিন্ন জায়গায় হচ্ছে, সেসব নিয়েও আমরা তারেক রহমানকে জানিয়েছি। তাদের দলের পক্ষ থেকে সে বিষয়গুলোতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আমাদের আশ্বস্ত করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম।
আখতার আরও জানান, জুলাই গণ–অভ্যুত্থান, অভ্যুত্থানে জীবন দেওয়া ও অঙ্গহানি হওয়া বীর শহীদ ও গাজীদের পরিবারের যথোপযুক্ত পুনর্বাসন নিয়েও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, নজরুল ইসলাম খান সহ এনসিপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সুত্রঃ news24bd.tv























