ঢাকা ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
থাইল্যান্ডে ভয়াবহ বন্যায় নিহত বেড়ে ১৬২ দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত ‘একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয় :জানালেন তারেক রহমান বরিশাল-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে জনসমাবেশ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। শাহবাগ মোড় অবরোধ ভোলা–বরিশাল সেতু নির্মাণসহ ৫ দাবিতে ১৯ দেশের অভিবাসীদের গ্রিন কার্ড আবার যাচাই করবে আমেরিকা হোয়াইট হাউসের কাছে বন্দুক হামলায় আহত ন্যাশনাল গার্ডের ১ সদস্য নিহত ইমরান খানের মৃত্যুর গুজব: যা জানাল কর্তৃপক্ষ আয়ারল্যান্ডের কাছে টাইগারদের বিশাল হার কড়াইল বস্তিতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের জরুরি খাদ্যসহায়তা ডব্লিউএফপির

এ যেন ঘুষের রাজ্য।

৯৯৫ টাকার দাখিলায় ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ।

Songbad somachar
  • আপডেট সময় : ১২:৫৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫ ১১৬ বার পড়া হয়েছে
সংবাদ সমাচারের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 বরগুনার তালতলী উপজেলার পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মহাসিন খানের বিরুদ্ধে ৯৯৫ টাকার দাখিলায় ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী জলিল মীর। জলিল উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের ছোটবগী গ্রামের বাসিন্দা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মোট ৩৩ শতাংশ জমির মধ্যে ৮ শতাংশ বিক্রি করার পর অবশিষ্ট ২৫ শতাংশের জন্য ভূমি উন্নয়ন কর জমা দিতে যান পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। প্রথমেই সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা দাবি করেন ৩৩ শতাংশের কর বাবদ ১৬ হাজার টাকা। পরে ২৫ শতাংশের জন্য ডেকে নেন আলাদা কক্ষে, সেখানেই চূড়ান্ত প্রস্তাব- ১০ হাজার টাকা। এরপর তাঁকে টাকা পরিশোধ করে দেন।

ভুক্তভোগী জলিল মীর বলেন, ‘আমি তহসিলদারকে বললাম, স্যার এত টাকা একসঙ্গে দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি তখন বলেন, আজই না দিলে হবে না।’ শেষমেশ মেয়ের বন্ধক রাখা সোনার গয়না বিক্রি করে নগদ টাকা জোগাড় করেন। সেই টাকা দিয়ে গত ১১ মার্চ জমির দাখিলা নেন। সম্প্রতি সেই জমি বিক্রি করতে গিয়ে জলিল মীর জানতে পারেন ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে ৯৯৫ টাকার দাখিলার রশিদ দিয়েছেন। তাই বাকি টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য সহকারী কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের ভূমি উন্নয়ন কর্মকর্তা মহাসিন খান বলেন, ‘জলিল মীরের কাগজে অনেক ত্রুটি ছিল। সেগুলো ঠিক করার পাশাপাশি অনলাইন খরচ, করের বকেয়া মিলিয়ে ১৭ হাজার টাকা ধরা হয়েছিল। কিন্তু তার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নেয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী এলেই অতিরিক্ত টাকা তাকে দিয়ে দেয়া হবে।’

সরকারি কমিশনার (ভূমি) দায়িত্বে থাকা তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে সালমা বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এছাড়াও আরেকটি মৌখিক অভিযোগও থাকায় কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছেন। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তিনি যথাযথ আইনের আওতায় আসবেন। এছাড়াও তাকে মৌখিকভাবে কঠোর সতর্ক করা হয়েছে যেহেতু তদন্ত চলমান।’

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

এ যেন ঘুষের রাজ্য।

৯৯৫ টাকার দাখিলায় ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ।

আপডেট সময় : ১২:৫৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

 বরগুনার তালতলী উপজেলার পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মহাসিন খানের বিরুদ্ধে ৯৯৫ টাকার দাখিলায় ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী জলিল মীর। জলিল উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের ছোটবগী গ্রামের বাসিন্দা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মোট ৩৩ শতাংশ জমির মধ্যে ৮ শতাংশ বিক্রি করার পর অবশিষ্ট ২৫ শতাংশের জন্য ভূমি উন্নয়ন কর জমা দিতে যান পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। প্রথমেই সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা দাবি করেন ৩৩ শতাংশের কর বাবদ ১৬ হাজার টাকা। পরে ২৫ শতাংশের জন্য ডেকে নেন আলাদা কক্ষে, সেখানেই চূড়ান্ত প্রস্তাব- ১০ হাজার টাকা। এরপর তাঁকে টাকা পরিশোধ করে দেন।

ভুক্তভোগী জলিল মীর বলেন, ‘আমি তহসিলদারকে বললাম, স্যার এত টাকা একসঙ্গে দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি তখন বলেন, আজই না দিলে হবে না।’ শেষমেশ মেয়ের বন্ধক রাখা সোনার গয়না বিক্রি করে নগদ টাকা জোগাড় করেন। সেই টাকা দিয়ে গত ১১ মার্চ জমির দাখিলা নেন। সম্প্রতি সেই জমি বিক্রি করতে গিয়ে জলিল মীর জানতে পারেন ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে ৯৯৫ টাকার দাখিলার রশিদ দিয়েছেন। তাই বাকি টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য সহকারী কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের ভূমি উন্নয়ন কর্মকর্তা মহাসিন খান বলেন, ‘জলিল মীরের কাগজে অনেক ত্রুটি ছিল। সেগুলো ঠিক করার পাশাপাশি অনলাইন খরচ, করের বকেয়া মিলিয়ে ১৭ হাজার টাকা ধরা হয়েছিল। কিন্তু তার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নেয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী এলেই অতিরিক্ত টাকা তাকে দিয়ে দেয়া হবে।’

সরকারি কমিশনার (ভূমি) দায়িত্বে থাকা তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে সালমা বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এছাড়াও আরেকটি মৌখিক অভিযোগও থাকায় কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছেন। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তিনি যথাযথ আইনের আওতায় আসবেন। এছাড়াও তাকে মৌখিকভাবে কঠোর সতর্ক করা হয়েছে যেহেতু তদন্ত চলমান।’