ঢাকা ১০:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

বিএনপির আওয়ামী লীগ বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা: হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগ

Songbad somachar
  • আপডেট সময় : ১১:৫০:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫ ১৫৫ বার পড়া হয়েছে
সংবাদ সমাচারের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করেছেন, বিএনপির আওয়ামী লীগ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন রুমিন ফারহানা।

রোববার (২৪ আগস্ট) নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে এনসিপি নেতা আতাউল্লাহসহ দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, রুমিন ফারহানা প্রায়ই দাবি করেন গত ১৫ বছর তিনি ভালো ছিলেন। কিন্তু বাস্তবে তিনি আওয়ামী লীগের নানা সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেই ভালো ছিলেন। তার মতে, আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগীদের মধ্যে রুমিন অন্যতম।

এ সময় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাকেও প্রশ্নবিদ্ধ আখ্যা দেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক। তিনি অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ নীরব দর্শকের মতো দাঁড়িয়ে থেকে আমাদের নেতাকর্মীদের কমিশনে প্রবেশে বাধা দিয়েছে। অথচ বিএনপি নেতাকর্মীদের সহজে প্রবেশ ও প্রস্থান করতে দিয়েছে। ফলে নির্বাচন কমিশন এখন কয়েকটি দলের ‘পার্টি অফিসে’ পরিণত হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বিএনপির আওয়ামী লীগ বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা: হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:৫০:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করেছেন, বিএনপির আওয়ামী লীগ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন রুমিন ফারহানা।

রোববার (২৪ আগস্ট) নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে এনসিপি নেতা আতাউল্লাহসহ দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, রুমিন ফারহানা প্রায়ই দাবি করেন গত ১৫ বছর তিনি ভালো ছিলেন। কিন্তু বাস্তবে তিনি আওয়ামী লীগের নানা সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেই ভালো ছিলেন। তার মতে, আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগীদের মধ্যে রুমিন অন্যতম।

এ সময় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাকেও প্রশ্নবিদ্ধ আখ্যা দেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক। তিনি অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ নীরব দর্শকের মতো দাঁড়িয়ে থেকে আমাদের নেতাকর্মীদের কমিশনে প্রবেশে বাধা দিয়েছে। অথচ বিএনপি নেতাকর্মীদের সহজে প্রবেশ ও প্রস্থান করতে দিয়েছে। ফলে নির্বাচন কমিশন এখন কয়েকটি দলের ‘পার্টি অফিসে’ পরিণত হয়েছে।