ঢাকা ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ফেনীতে শিশুকে হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার”

Songbad somachar
  • আপডেট সময় : ০৯:১৯:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫ ১৫৩ বার পড়া হয়েছে
সংবাদ সমাচারের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফেনীতে ইটভাটার পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংক থেকে ছয় বছরের এক মেয়েশিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত একটার দিকে ফেনী সদর উপজেলার একটি গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে করা মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ওই যুবকের নাম মো. রাসেল (১৮)। তাঁর বাড়ি ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার কলতাপাড়া গ্রামে। কাজের সুবাদে তিনি ফেনীতে থাকেন।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্র জানায়, গতকাল দুপুরের দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় শিশুটি। আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে সন্ধ্যায় মাইকিং করেন স্বজনেরা। একপর্যায়ে দিবাগত রাত একটার দিকে ইটভাটার পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকের পাশে শিশুটির জামা দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে সেপটিক ট্যাংকের পানিতে শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা রাসেল নামের ওই তরুণকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

স্থানীয় এক বাসিন্দার ভাষ্য, ধারণা করা হচ্ছে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

খবর পেয়ে রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ। এ বিষয়ে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সামছুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার তরুণ এটি স্বীকার করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ফেনীতে শিশুকে হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার”

আপডেট সময় : ০৯:১৯:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

ফেনীতে ইটভাটার পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংক থেকে ছয় বছরের এক মেয়েশিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত একটার দিকে ফেনী সদর উপজেলার একটি গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে করা মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ওই যুবকের নাম মো. রাসেল (১৮)। তাঁর বাড়ি ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার কলতাপাড়া গ্রামে। কাজের সুবাদে তিনি ফেনীতে থাকেন।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্র জানায়, গতকাল দুপুরের দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় শিশুটি। আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে সন্ধ্যায় মাইকিং করেন স্বজনেরা। একপর্যায়ে দিবাগত রাত একটার দিকে ইটভাটার পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকের পাশে শিশুটির জামা দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে সেপটিক ট্যাংকের পানিতে শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা রাসেল নামের ওই তরুণকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

স্থানীয় এক বাসিন্দার ভাষ্য, ধারণা করা হচ্ছে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

খবর পেয়ে রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ। এ বিষয়ে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সামছুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার তরুণ এটি স্বীকার করেছেন।