ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেন্ট মার্টিনের ১৮ বাংলাদেশি জেলে মিয়ানমারের আরাকান আর্মির হাতে অপহৃত

Songbad somachar
  • আপডেট সময় : ১০:২৭:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৭৭ বার পড়া হয়েছে
সংবাদ সমাচারের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া ১৮ বাংলাদেশি জেলেকে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ধরে নিয়ে গেছে। ঘটনা ঘটেছে গত রোববার সন্ধ্যায়, কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্ট মার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্বে ‘সীতা’ নামক এলাকায়।

জেলেদের সবাই সেন্ট মার্টিন দ্বীপের বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মো. আবছার, আবু তাহের, মো. আলমগীর, জাহাঙ্গীর আলম, আবদুর রহিম, মো. আলম, মো. সব্বির, মো. তৈয়ব, মনি উল্লাহ, রহমত উল্লাহ, আবু বক্কর ছিদ্দিক, সৈয়দ উল্লাহ, মো. রফিক, মো. তাহের, আবদুল মতলব, হাফেজ আহমেদ, আমিনুল হোসেন ও সালা উদ্দিন।

সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম জানান, স্পিডবোট নিয়ে চারটি মাছ ধরার নৌযানকে ধাওয়া দেয় আরাকান আর্মি। এর মধ্যে একটি নৌযান পালিয়ে রক্ষা পায়, কিন্তু বাকি তিনটির মাঝিমাল্লাদের অস্ত্রের মুখে মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়া হয়।

জেলেদের অপহরণের বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান উদ্দিন জানেন এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত জেলেদের উদ্ধার সম্ভব হয়নি এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সেন্ট মার্টিনের ১৮ বাংলাদেশি জেলে মিয়ানমারের আরাকান আর্মির হাতে অপহৃত

আপডেট সময় : ১০:২৭:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া ১৮ বাংলাদেশি জেলেকে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ধরে নিয়ে গেছে। ঘটনা ঘটেছে গত রোববার সন্ধ্যায়, কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্ট মার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্বে ‘সীতা’ নামক এলাকায়।

জেলেদের সবাই সেন্ট মার্টিন দ্বীপের বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মো. আবছার, আবু তাহের, মো. আলমগীর, জাহাঙ্গীর আলম, আবদুর রহিম, মো. আলম, মো. সব্বির, মো. তৈয়ব, মনি উল্লাহ, রহমত উল্লাহ, আবু বক্কর ছিদ্দিক, সৈয়দ উল্লাহ, মো. রফিক, মো. তাহের, আবদুল মতলব, হাফেজ আহমেদ, আমিনুল হোসেন ও সালা উদ্দিন।

সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম জানান, স্পিডবোট নিয়ে চারটি মাছ ধরার নৌযানকে ধাওয়া দেয় আরাকান আর্মি। এর মধ্যে একটি নৌযান পালিয়ে রক্ষা পায়, কিন্তু বাকি তিনটির মাঝিমাল্লাদের অস্ত্রের মুখে মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়া হয়।

জেলেদের অপহরণের বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান উদ্দিন জানেন এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত জেলেদের উদ্ধার সম্ভব হয়নি এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন।