মৃতেরও নিস্তার নেই গাজায়
- আপডেট সময় : ০৪:৫৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
ক্ষুধা, পিপাসা, অপুষ্টি, দারিদ্র্য আর অন্ধকার অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কারণে ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার বাসিন্দারা এখন যেন অনেকটাই জীবন্মৃত। কিন্তু যারা এরই মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন, তারাও শান্তিতে চির ঘুমটুকু ঘুমাতে পারছেন না। হামাসের আটক করা বিভিন্ন বন্দির মরদেহ খুঁজতে গাজার কবরস্থানগুলো এখন এলোমেলো করছে ইসরায়েলি সেনারা। কখনও বা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে কবর। আর বন্ধু, স্বজন, প্রতিবেশীর শেষ চিহ্নটুকুও এভাবে অবমাননায় মুছে যেতে দেখে শুধু অশ্রু মুছছে নিরুপায় গাজাবাসী।
গতকাল বৃহস্পতিবার আলজাজিরায় প্রকাশিত এক খবরে গাজার বাসিন্দা ফাতিমা আবদুল্লাহ নামে তেমনই এক নারীর বয়ান তুলে ধরা হয়।
তিন সন্তানের মা ফাতিমা জানান, ইসরায়েলি সেনারা যখন ওই কবরস্থানে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছিল, আমরা সবাই আতঙ্কে ছিলাম। সেখানে আরও হাজার হাজার পরিবারের স্বজনদের কবর অবস্থিত। সবাই ভয় পাচ্ছিল, এরপর হয়তো তাদের প্রিয়জনের কবরটির ওপর আঘাত আসবে। আমি কল্পনা করছিলাম, যান্ত্রিক দানবগুলো আমার স্বামীর কবরের দিকে এগিয়ে আসছে। আমি মনে মনে বলছিলাম, না খোদা, এমনটা যেন না হয়।
গাজায় মৃতরাও রেহাই পাচ্ছে না এবং শোক পালন এবং মর্যাদা রক্ষার শেষ অধিকারটুকুও কীভাবে কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তা বর্ণনা করেন ফাতিমা। ইসরায়েলি সেনাদের ওই অভিযানের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, মরদেহগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল, হাড়গোড় আর ব্যাগ যেখানে-সেখানে ফেলে রাখা হয়েছিল। তারা বুলডোজার দিয়ে কবর গুঁড়িয়ে দিচ্ছিল এবং অবশেষগুলো এমনভাবে ফেলছিল, যেন সেগুলোর কোনো মূল্যই নেই।
রাফাহ ক্রসিং নিয়ে মিসর-ইসরায়েল তীব্র বিরোধ
গাজার রাফাহ সীমান্ত পারাপার আগামী রোববার থেকে আংশিকভাবে খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। তবে এই ক্রসিং দিয়ে ফিলিস্তিনিদের যাতায়াতের সংখ্যা ও প্রক্রিয়া কী হবে– তা নিয়ে মিসর ও ইসরায়েলের মধ্যে তীব্র বিরোধ দেখা দিয়েছে। আলজাজিরার খবরে বলা হয়, দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে গাজার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।




















