ঢাকা ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
থাইল্যান্ডে ভয়াবহ বন্যায় নিহত বেড়ে ১৬২ দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত ‘একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয় :জানালেন তারেক রহমান বরিশাল-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে জনসমাবেশ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। শাহবাগ মোড় অবরোধ ভোলা–বরিশাল সেতু নির্মাণসহ ৫ দাবিতে ১৯ দেশের অভিবাসীদের গ্রিন কার্ড আবার যাচাই করবে আমেরিকা হোয়াইট হাউসের কাছে বন্দুক হামলায় আহত ন্যাশনাল গার্ডের ১ সদস্য নিহত ইমরান খানের মৃত্যুর গুজব: যা জানাল কর্তৃপক্ষ আয়ারল্যান্ডের কাছে টাইগারদের বিশাল হার কড়াইল বস্তিতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের জরুরি খাদ্যসহায়তা ডব্লিউএফপির

নারী রাজনীতিতে কীভাবে আসবে, আসন কত পাবে, মাছের বাজারের মতো দরাদরি হচ্ছে: সামিনা লুৎফা

Songbad somachar
  • আপডেট সময় : ১১:৫১:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫ ৫২ বার পড়া হয়েছে
সংবাদ সমাচারের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নারী রাজনীতিতে কীভাবে আসবে, তার ভাগ্য কী হবে, আসন কত পাবে- এসব আলোচনা করছেন পুরুষেরা। মাছের বাজারের মতো দরাদরি করে এসব নির্ধারণ করা হচ্ছে।

আজ শনিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ে ‘জাতীয় সংসদে নারী আসন ও নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিনা লুৎফা এসব কথা বলেন। এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে প্রথম আলো। এতে সংসদে নারী আসন নিয়ে ধারণাপত্র তুলে ধরেন প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক নাজনীন আখতার।

ঐকমত্য কমিশনের কাছে খুব বেশি কিছু আশা করেননি জানিয়ে সামিনা লুৎফা বলেন, ‘কমিশনের মিটিংয়ে রাজনৈতিক দলগুলো গিয়ে ওখানে যখন কথা বলে, যে ছবি দেখি, যে পুরো একটা বয়েজ ক্লাব। এখানে চারদিক জুড়ে সব পুরুষেরা বসে আছে এবং তারা ওখানে বসে নারীর ভাগ্য নির্ধারণ করছে। আমরা খবর পাচ্ছিলাম, যে আপনারা যদি ১৫ চান, ১০ দিতে পারি। এটা কি মাছের বাজারে দরাদরি?’ তিনি আরও বলেন, ‘পুরুষেরা বসে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে নারী কীভাবে রাজনীতিতে আসবে। এর চেয়ে হাস্যকর কিছু হতে পারে না।’

বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো নারীকে তার মর্যাদা দিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে উল্লেখ করেন সামিনা লুৎফা। তিনি বলেন, ‘মানবাধিকারের জায়গা থেকে বিবেচনা করলে, দলগুলো তা অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়েছে। এর চেয়ে বড় ঐতিহাসিক ভুল বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো আর কখনো করেনি বলে আমার ধারণা। একই সঙ্গে সবাই মিলে একটা ভয়ংকর রক্ষণশীল অবস্থান নিলেন এবং এর দায় ও খেসারত তাদের দিতে হবে।’

প্রতিক্রিয়া জানাতে দেরি প্রসঙ্গে এই অধ্যাপক বলেন, ‘যখন এই কমিশনের মিটিং গুলো হচ্ছিল তখন আসলে গিয়ে ওইখানে ওনাদেরকে ঘেরাও দিয়ে বসে থাকতে হতো। তাহলে ওনারা বাধ্য হতেন আমাদের কথা শুনতে কিন্তু আমরা তো সেটা করি নাই।’

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নারী রাজনীতিতে কীভাবে আসবে, আসন কত পাবে, মাছের বাজারের মতো দরাদরি হচ্ছে: সামিনা লুৎফা

আপডেট সময় : ১১:৫১:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫

নারী রাজনীতিতে কীভাবে আসবে, তার ভাগ্য কী হবে, আসন কত পাবে- এসব আলোচনা করছেন পুরুষেরা। মাছের বাজারের মতো দরাদরি করে এসব নির্ধারণ করা হচ্ছে।

আজ শনিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ে ‘জাতীয় সংসদে নারী আসন ও নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিনা লুৎফা এসব কথা বলেন। এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে প্রথম আলো। এতে সংসদে নারী আসন নিয়ে ধারণাপত্র তুলে ধরেন প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক নাজনীন আখতার।

ঐকমত্য কমিশনের কাছে খুব বেশি কিছু আশা করেননি জানিয়ে সামিনা লুৎফা বলেন, ‘কমিশনের মিটিংয়ে রাজনৈতিক দলগুলো গিয়ে ওখানে যখন কথা বলে, যে ছবি দেখি, যে পুরো একটা বয়েজ ক্লাব। এখানে চারদিক জুড়ে সব পুরুষেরা বসে আছে এবং তারা ওখানে বসে নারীর ভাগ্য নির্ধারণ করছে। আমরা খবর পাচ্ছিলাম, যে আপনারা যদি ১৫ চান, ১০ দিতে পারি। এটা কি মাছের বাজারে দরাদরি?’ তিনি আরও বলেন, ‘পুরুষেরা বসে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে নারী কীভাবে রাজনীতিতে আসবে। এর চেয়ে হাস্যকর কিছু হতে পারে না।’

বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো নারীকে তার মর্যাদা দিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে উল্লেখ করেন সামিনা লুৎফা। তিনি বলেন, ‘মানবাধিকারের জায়গা থেকে বিবেচনা করলে, দলগুলো তা অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়েছে। এর চেয়ে বড় ঐতিহাসিক ভুল বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো আর কখনো করেনি বলে আমার ধারণা। একই সঙ্গে সবাই মিলে একটা ভয়ংকর রক্ষণশীল অবস্থান নিলেন এবং এর দায় ও খেসারত তাদের দিতে হবে।’

প্রতিক্রিয়া জানাতে দেরি প্রসঙ্গে এই অধ্যাপক বলেন, ‘যখন এই কমিশনের মিটিং গুলো হচ্ছিল তখন আসলে গিয়ে ওইখানে ওনাদেরকে ঘেরাও দিয়ে বসে থাকতে হতো। তাহলে ওনারা বাধ্য হতেন আমাদের কথা শুনতে কিন্তু আমরা তো সেটা করি নাই।’