ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভুয়া ডাক্তার আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেল-জরিমানা

Songbad somachar
  • আপডেট সময় : ১১:২২:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১০৯ বার পড়া হয়েছে
সংবাদ সমাচারের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার আদমপুর বাজার থেকে ভুয়া ডাক্তার পরিচয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা কার্যক্রম চালানো রেজাউল করিমকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে আকস্মিক অভিযানে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রায়হান ইসলাম শোভন, গোপালগঞ্জ জেলার ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার আহমেদ এবং ড্রাগ সুপার বিথী রানী মণ্ডল।

তদন্তে সূত্রে জানা যায়, কোনো ধরণের চিকিৎসা শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ না থাকলেও রেজাউল করিম নামের আগে,ডাক্তার লিখে প্রেসক্রিপশন দিতেন। শুধু তাই নয়, তিনি রোগী ভর্তি রেখে অস্ত্রোপচারও করছিলেন। অস্বাস্থ্যকর টিনশেড দোকানে রোগী ভর্তি রাখা, লাইসেন্সবিহীন ওষুধ বিক্রি এবং বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ মজুত করার প্রমাণও মেলে।

এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বিভিন্ন ধারায় রেজাউল করিমকে ৩ মাসের কারাদণ্ড ও ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করেন। পাশাপাশি তার ক্লিনিক সিলগালা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডা. রায়হান ইসলাম শোভন বলেন, স্থানীয় ভুক্তভোগীরা দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে মাতৃমৃত্যু, অঙ্গহানি এবং অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের অভিযোগ করে আসছিলেন। তবে প্রমাণের অভাবে এতদিন ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। আজকের অভিযানে সাধারণ মানুষের বাধা সত্ত্বেও অবশেষে তাকে আটক করতে সক্ষম হয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ভুয়া ডাক্তার আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেল-জরিমানা

আপডেট সময় : ১১:২২:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার আদমপুর বাজার থেকে ভুয়া ডাক্তার পরিচয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা কার্যক্রম চালানো রেজাউল করিমকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে আকস্মিক অভিযানে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রায়হান ইসলাম শোভন, গোপালগঞ্জ জেলার ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার আহমেদ এবং ড্রাগ সুপার বিথী রানী মণ্ডল।

তদন্তে সূত্রে জানা যায়, কোনো ধরণের চিকিৎসা শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ না থাকলেও রেজাউল করিম নামের আগে,ডাক্তার লিখে প্রেসক্রিপশন দিতেন। শুধু তাই নয়, তিনি রোগী ভর্তি রেখে অস্ত্রোপচারও করছিলেন। অস্বাস্থ্যকর টিনশেড দোকানে রোগী ভর্তি রাখা, লাইসেন্সবিহীন ওষুধ বিক্রি এবং বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ মজুত করার প্রমাণও মেলে।

এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বিভিন্ন ধারায় রেজাউল করিমকে ৩ মাসের কারাদণ্ড ও ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করেন। পাশাপাশি তার ক্লিনিক সিলগালা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডা. রায়হান ইসলাম শোভন বলেন, স্থানীয় ভুক্তভোগীরা দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে মাতৃমৃত্যু, অঙ্গহানি এবং অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের অভিযোগ করে আসছিলেন। তবে প্রমাণের অভাবে এতদিন ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। আজকের অভিযানে সাধারণ মানুষের বাধা সত্ত্বেও অবশেষে তাকে আটক করতে সক্ষম হয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।